💥🔥💢👉👉 ভবসাগর পার হবেন কীভাবে? 👈👈💢🔥💥
🌺🌺👏 মনোযোগ সহকারে পড়ুন – হরে কৃষ্ণ! 👏🌺🌺
💐💐💐🥀🥀🦋🥀🥀💐💐💐
একজন গোয়ালিনী প্রতিদিন এক সাধুর আশ্রমে দুধ নিয়ে যেত। কিন্তু প্রায়ই দেরি করত। একদিন সাধু জিজ্ঞেস করলেন—
“মা, প্রতিদিন এমন দেরি কেন হয়?”
গোয়ালিনী বিনীতভাবে বলল—
“গুরুদেব, নদী পার হতে হয়, আবার নৌকা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, তাই দেরি হয়ে যায়।”
সাধু বললেন—
“আজ থেকে তুমি ‘হরিনাম’ জপ করবে— ‘এ ভবসাগর হবে বালুচর, হাঁটিয়া হইবি পার, হরিনাম কর সার’।
দেখবে, আর নৌকার দরকার হবে না!”
পরদিন থেকে গোয়ালিনী সত্যিই ‘হরে কৃষ্ণ’ নাম জপ করতে করতে নদী হেঁটে পার হয়ে সময়মতো আশ্রমে পৌঁছে যেত।
একদিন সাধু অবাক হয়ে বললেন—
“আজকাল তুমি দেরি করো না কেন?”
গোয়ালিনী হেসে বলল—
“আপনার দেওয়া হরিনাম জপ করতে করতে নদী পার হয়ে যাই, গুরুদেব!”
এ কথা শুনে সাধুর মনে অহংকার জাগল। ভাবলেন—
“আমি তো বহু বছর ধরে হরিনাম করছি। আমি তো আরও বড় ভক্ত! আমি তো সহজেই নদী পার হতে পারব!”
তাই পরদিন তিনি গোয়ালিনীর সঙ্গে নদীতে নামলেন।
গোয়ালিনী হরিনাম করতে করতে ওপারে পৌঁছে গিয়ে ডাকলেন—
“গুরুদেব, চলে আসুন!”
সাধু নাম নিচ্ছেন বটে, কিন্তু পা জলে ভিজছে দেখে ধুতি তুলে নিচ্ছেন।
তখন গোয়ালিনী বলল—
“গুরুদেব! আপনি হরিনামও করছেন, আবার কাপড়ও বাঁচাচ্ছেন— তাহলে কেমন করে নদী পার হবেন?”
💥🌼🌺💐🌺🕉🕉🚩
উপসংহারঃ
আমরাও যদি সেই সাধুর মতো হরিনামের প্রতি বিশ্বাস না রেখে কেবল জাগতিক চিন্তায় মগ্ন থাকি, তবে এই ভবসাগর পার হব কিভাবে?
হরিনামের প্রধান বাধা —
জড়বিদ্যা, জ্ঞান, ধন, রূপ, যশ, কুল, অহংকার।
📖 চৈতন্যচরিতামৃত এ বলা হয়েছে —
> “কৃষ্ণকৃপা বিনে নহে দুঃখের মোচন,
থাকিল বা বিদ্যা, কুল, কোটি-কোটি ধন।”
“বহু জন্ম করে যদি শ্রবণ কীর্তন,
তবু না পায় কৃষ্ণপদে প্রেমধন।”
🌺 তাই আসুন —
বিষয়চিন্তা ত্যাগ করে,
বিশ্বাস ও নিষ্ঠা সহকারে হরি নাম জপ ও কীর্তন করি। 🙏
۞ஜ▬▬▬💢ஜ۩۞۩ஜ💢▬▬▬ஜ
🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊🌊
✍ একবার মন থেকে বলুন —
💥💥👉👉 হরে কৃষ্ণ! 👈👈💥💥
🔰🔰🔰🔰🔰🔰🔰
🙏 শেয়ার করুন এই পবিত্র গল্পটি 🙏
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺
★— জয় শ্রীকৃষ্ণ —★
🌺🌺🌺🌺🙏🙏🙏 হরে কৃষ্ণ! 🙏🙏🙏🌺🌺🌺🌺
💥💥💥💥💥💥 হরিবোল! 💥💥💥💥💥💥

0 মন্তব্যসমূহ