🌹 🌹🌹🌹🌹সবাইকে সনাতন জ্ঞান ভান্ডারে সু-স্বাগতম🌹🌹🌹🌹🌹
বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এখন সবকিছু ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছে।মানুষের জীবন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ বিলুপ্ত হয়ে মানুষ যন্ত্র মানবে পরিণত হচ্ছে। মানুষ আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে ঠিকই যা শুধুমাত্র অন্ন-বস্ত্র-বংশবৃদ্ধির চাহিদা পূরণ করে জীবিকা নির্বাহ করতে শিখায় যা অশিক্ষিত পশুরাও করে। একটা প্রবাদ আছে জ্ঞানহীন মানুষ পশুর সমান। এখানে কোন জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে? আধ্যাত্মিক জ্ঞান/ধর্মীয় জ্ঞান যা মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধকে জাগ্রত করে প্রকৃত মানুষে পরিণত করে। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন -জ্ঞান দুই প্রকার-১.পরাবিদ্যা ২. অপরাবিদ্যা অর্থ্যাৎ জাগতিক জ্ঞান যার মাধ্যমে আমরা এই জড় জগতে জীবিকা নির্বাহ করে জীবন ধারণ করি এবং পারমার্থিক জ্ঞান যার মাধ্যমে আমরা নিজেকে জগৎকে সময়কে সর্বোপরি ভগবানকে জেনে সুখময় শান্তিময় আনন্দময় জীবন লাভ করতে পারি।
আগেকার যুগে পাঁচ বছর হলেই সন্তানকে গুরুকুলে পাঠানো হত। সেখানে গুরুদেব জাগতিক ও পারমার্থিক/আধ্যাত্মিক/ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে যথার্থ শিক্ষায় শিক্ষিত করে আদর্শ মানুষে পরিণত করত যার ফলে তখন মানব সমাজ ছিল সুশৃঙ্খল সুখময় শান্তিময় আনন্দময়। কিন্তু বর্তমান কলিযুগে সন্তানকে পাঠানো হয় গুরুকুলের বদলে স্কুলে যেখানে তারা পারমার্থিক শিক্ষা থেকে সম্পর্ণরূপে বাদ পড়ে যাচ্ছে যার প্রভাব আমরা সমাজে দেশে রাষ্ট্রে দেখতে পাচ্ছি। তাই বর্তমানে টাকা-পয়সা-গাড়ি-বাড়ী-নারী-সরকারি চাকরি থাকা সত্ত্বেও মানুষের দেহে সুখ নেই, দেহে সুখ থাকলেও মনে শান্তি নেই, মনে শান্তি থাকলে আত্মায় আনন্দ নেই। এমতাবস্থায় মানব সমাজে আধ্যাত্মিক জ্ঞানের কোনো বিকল্প নেই। প্রযুক্তিনির্ভর যুগে আমরা প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে চলতে পারবো না। প্রযুক্তির ভালো-খারাপ উভয় দিকই রয়েছে যা নির্ভর করে ব্যবহারকারির উপর।
তারই ধারাবাহিকতায় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অশেষ করণায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সনাতন জ্ঞান ভান্ডারের জ্ঞান সনাতনীদের মাঝে পৌঁছে দিতে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
প্রত্যেকটি ধর্মীয় উৎসবের এক বিশেষ তাৎপর্য রহিয়াছে তাহা উপলব্ধি করিয়া অনুশীলন কর্তব্য। যাহাতে সাধারণ মানুষদের মধ্যে ধর্ম সম্বন্ধে কোনো ভ্রান্ত ধারণার জন্ম না হয়। সনাতন শাস্ত্র সর্বদা সেই শিক্ষা প্রদান করিয়াছে।
আজকের ক্লাসে আলোচিত বিষয়সমূহ (পুনর্লিখন):
১। আমি কে? কেন আমি এই জগতে জন্মগ্রহণ করেছি?
আমাদের কর্তব্য কী এবং মৃত্যুর পর আমাদের গন্তব্য কোথায়?
২। মানুষ ও অন্যান্য জীবের মধ্যে পার্থক্য
৩। মানুষ কেন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব?
৪। ভগবান কে এবং কেন তাঁকে ‘ভগবান’ বলা হয়?
৫। মানব জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী?
৬। গুরুদেব, দেবতা ও ভগবানের মধ্যে পার্থক্য
৭। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা কী?
বেদ সনাতন ধর্মের মূল গ্রন্থ হলেও গীতা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
৮। যুদ্ধক্ষেত্রে ভগবান কেন গীতার জ্ঞান প্রদান করেছিলেন?
৯। দেহ-রথের উপমা ও তার ব্যাখ্যা
- দেহ = রথ
- দুই পা = রথের দুই চাকা
- পঞ্চইন্দ্রিয় = পাঁচটি ঘোড়া
- মন = রশি
- অর্জুন = আত্মা
- সারথি = পরমাত্মা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
১০। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার পাঁচটি মুখ্য আলোচ্য বিষয়
১) ভগবান
২) আত্মা
৩) জড় জগৎ
৪) কর্ম
৫) কাল
১১। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার সংস্কৃত উচ্চারণের নিয়মাবলি
১২। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ সম্পর্কে প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারণার নিরসন
১) জননাশৌচ ও মরণাশৌচকালে কি গীতাপাঠ করা যায়?
২) মৃত্যুকালে বুকে গীতা রাখা বা গীতাপাঠের অর্থ কী?
৩) শ্রাদ্ধকর্মে গীতাপাঠ করা যায় কি না
৪) শুদ্ধ সংস্কৃত উচ্চারণে পাঠ করতে না পারলে গীতাপাঠ করা কি অপরাধ?
৫) বছরের পর বছর গীতা লাল কাপড়ে মুড়িয়ে আসনে রেখে দেওয়া—এর তাৎপর্য
১৩। প্রথম অধ্যায়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কোনো উপদেশ প্রদান করেননি
১৪। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের নির্দেশ পালন করেছিলেন
১৫। অর্জুন নিজের যুক্তি ও সংশয় উপস্থাপন করেছিলেন
১৬। অর্জুনের আত্মজ্ঞান ছিল না এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রকৃত পরিচয় সম্পর্কেও তাঁর জ্ঞান ছিল না
শ্রীমদ্ভগবদগীতা সংস্কৃত উচ্চারণের পদ্ধতি
আসুন আমরা সবাই শুদ্ধ সংস্কৃত উচ্চারণে শ্রীগীতার বাণীগুলি পড়ি, বাণীগুলির মর্মার্থ বুঝি এবং শ্রীগীতার আলোয় আলোকিত করি আমাদের এই দুর্লভ মানবজীবন। সবার মুখে মুখে এই বলিয়া ধ্বনিত হউক, গীতার আলো, ঘরে ঘরে আলো"।
সংস্কৃত উচ্চারণের গীতা শিক্ষার কতিপয় মৌলিত ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলিঃ-
1.স্বরবর্ণ/ ব্যঞ্জনবর্ণ শুদ্ধভাবে উচ্চারণের জন্য উচ্চারণ স্থানসমূহ চিহ্নিত করিতে হইবে।
যেমন ঃ *ষ(মূর্খা),আষাঢ় =
Ashar, *স(দস্ত্য), সীতা = Seeta, (তানু), শ্রী = Shree,সংশয় =
Sangshoy ।
২. হ্রস্ব স্বর (স্বল্পস্বর) ও দীর্ঘস্বর অবশ্যই মানিতে হইবে। যেমন ঃ অ =
A, আ = Aa / A, ক = Ka, খ = Kha, ঈ
৩.সংযুক্ত বর্ণকে ভাঙ্গিয়া ফেলিতে হইবে অর্থাৎ সংযুক্ত বর্ণে যে বর্ণই থাকুক না কেন তা সব বর্ণকেই স্বাধীনভাবে উচ্চারণ করিতে হইবে। যেমন ঃ *লক্ষ্মী = ল + ক্ + ষ্ + ম্ + ঈ(ী)
= Lakshmee, *সরস্বতী = সরওয়তী = (Saraswatee.
4. হয় / হল () চিহ্ন থাকিলে সেখানে দাঁড়াইতে হইবে। যেমন: ভগবান (Bhagaban
/ Bhagawan ) হইবে কিছু (Bhaghana) হইবে না বা অনুষ্ঠুপ(Anushthup) হইবে কিন্তু (Anushthupa) হইবে না।
৫. বিসর্গ (ঃ) থাকিলে শুধুমাত্র উম্মা ছাড়িতে হইবে। যেমনঃ- নমঃ (Namah) হইবে কিন্তু (Namaha) হইবে না।
৬. অনুস্বার (ং) লাইন বা ভাবের শেষের কোন বর্ণ/শব্দের শেষে থাকিলে 'ম'(M) উচ্চারিত হইবে। যেমনঃ অহং (Aham), সত্যং শিবং সুন্দরম। 1. অর্ধমাত্রা (হ) থাকিলে 'অ' এর মত উচ্চারিত হইবে। যেমনঃ প্রথমো অধ্যায় ।
7. অন্তঃস্থ 'ব' থাকিলে সেইক্ষেত্রে ভয় (Wa) এর মত উচ্চারিত হইবে। যেমনঃ স্বপন = সওয়পন =
Swapan । উল্লেখ্য যে, অন্তঃপ্ত “ব” এর মাত্রা থাকেনা এবং ইহা অন্য বর্ণের নিচে অবস্থান নেয় কিন্তু নিচে থাকা সব ব অন্তঃস্থ 'ব' নয়।
D. যেমনঃ *সদ্ব্যবহার
= সদ্ + ব্যবহার,
*সল Ya/Yo) উচ্চারণ করিতে হইবে। যেমনঃ যদা(ইয়দা) =
Yada / Yoda সংস্কৃত পাঠের পদ্বিভাগ = সম্পদ্ + বিভাগ। এইখানে যেই 'ব' ব্যবহৃত হইয়াছে সেইটি বর্গীয় 'ব'-অন্তঃস্থ 'ব' নহে।
১০. “য” কে “ইয়’(
ক্ষ (ক+ষ)
রুক্মিণী
Rukminee
পদ্ম
Padma
পরীক্ষা
Pareeksha
অ (ত+ম)
আত্ম
Atma
* (ক+ষ+ন)
ক্ষ্ম (ক+ষ+ম)
তীক্ষ্ণ
Tikshna
হৃ (হ+ণ)
চিহ্ন
Chihna
সূক্ষ্ম
Sukshma
শ্ম ( শ+ম)
শ্মাশান
Shmashan
া (গ+ম)
বাগী
Bagmee
হঃ (হ+য ফলা)
গুহ্য
Guhya
(ঙ+খ)
শঙ্খ
Shangkha
| (হ+ব)
আহ্বান
Ahwan
জ্ঞ (জ+ঞ)
জ্ঞান
Gnan
হ্ম (হ+ম)
ব্ৰহ্ম
Brahma
জ্ব (জ+জ+ব)
উজ্জ্বল
Uzzwal
শ্চ (শ+চ)
নিশ্চিত
Nishehit
a (ঞ+জ)
অঞ্জলি
Anjali
ষ্ণ (ষ+ণ)
)
কৃষ্ণ
krishna
(+)
জন্মাষ্ঠমী
Janmashtamee
হ (হ+ঋ) কার
হৃদয়
Hriday
I(+4)
মন্থন
Manthan
জ, ঞ্চ ঞ্ছ, ব্র, চ্ছ
(2)
ধ্বনি
Dhwani
আরো কিছু জটিল শব্দের উচ্চারণ জেনে নিই
বিশ্বাস = বিশওয়াস (
Bishwas) স্মৃতি = সমৃতি(Smriti), ক্ষেত্র করে (Kshetra), অক্ষর (Akshara
)- (Yadaksharang), আখি = আনখি (Ankhi) ক্ষিতিশ = কার্যত (Kshitish), অভ্যাস = অভইয়াস (Ovyasa), মোক্ষ = মোকষ (Moksha), ক্ষর = কম্ব (kshara), তেহদ্য = তেঅদ্য (Teodya), স্মরণ = সমরণ (Smaran)
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার আলোকে মানব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পারমার্থিক তত্ত্বজিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ১:-আমি কে?
উত্তর: সচ্চিদানন্দময় আত্মা। প্রশ্ন ২:- সচ্চিদানন্দময় অর্থ কি?
উত্তর: সৎ অর্থ নিত্য, চিৎ, অর্থ জ্ঞানময়, আনন্দ অর্থ দিব্যানন্দ।
প্রশ্ন ৩ :- আত্মা কার অংশ? উত্তর: পরমাত্মার অংশ। প্রশ্ন ৪:- পরমাত্মা কে?
উত্তর: ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।
প্রশ্ন ৫:- ভগবান কাকে বলে?
উত্তর: ষড়ৈশ্বর্য্য যার মধ্যে পূর্ণরূপে বিদ্যমান তিনিই ভগবান । প্রশ্ন ৬ :- ষড়ৈশ্বর্য্য কি?
উত্তর: ষড়ৈশ্বর্য্য হল-ক) সমস্ত ঐশ্বর্য্য খ) সমস্ত বীর্য গ) সমস্ত যশ খ সমস্ত জ্ঞান ও) সমস্ত বৈরাগ্য।
প্রশ্ন ৭ :- ভগবান কে?
উত্তর: শ্রীকৃষ্ণ ।
প্রশ্ন ৮:- ভগবান কেথায় থাকেন?
উত্তর: ভগবান তাঁর স্বরুপে গোলক বৃন্দাবনে থাকেন। এবং পরমাত্মারূপে সমস্ত জীব তথা সব জায়গায় বিরাজমান।
প্রশ্ন ৯ :- আমাদের প্রকৃত আলয় কোনটি?
উত্তর: আমাদের প্রকৃত আলয় হচ্ছে গোলক বৃন্দাবন।
প্রশ্ন ১০ :- আমাদের কেন এখানে আসতে হয়েছে?
উত্তর: গোলক বৃন্দাবনে ভগবানের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে নিজেরা পৃথক ভাবে ভোগ করার জন্য এখানে এসেছি। প্রশ্ন ১১:- এ জগৎটি কি?
উত্তর:এ জগৎটি একটি দুর্গ বা কারাগার স্বরূপ ।
প্রশ্ন ১২:- এই দুর্গ বা কারাগার স্বরুপ জগৎটির পরিচালনার দায়িত্ব কার
হাতে ন্যস্ত?
উত্তর: দুর্গা তথা মহামায়ার উপর।
প্রশ্ন ১৩ :- মহামায়া কিভাবে এ জগৎকে পরিচালনা করছেন?
উত্তর: ত্রিগুণের রশি দিয়ে বেঁধে মহামায়া এ জগৎকে পরিচালনা করছে। প্রশ্ন ১৪ :- ত্রিগুণ কি কি?
উত্তর: সত্ত্ব, রজো, তম ।
প্রশ্ন ১৫:- ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভগৎ পরিচালনার দায়িত্ব মহামায়াকে কেন দিয়েছেন?
উত্তর: কারণ আমরা ভগবানের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে ভগবানকে ভুলে
গেছি।
প্রশ্ন ১৬:- মহামায়ার কাজ কি?
উত্তর: জীবকে এই জগতে মায়ার দ্বারা মোহিত করে ত্রিতাপ ক্লেশ প্রদান
করা যতক্ষণ না পর্যন্ত জীব ভগবানের শরণাগত হচ্ছে। প্রশ্ন ১৭ :- ত্রিতাপ ক্লেশ কি কি?
উত্তর: ক) আধ্যাত্মিক ক্লেশ-মনের অশান্তি, রোগ ব্যধি ইত্যাদি। খ) আদিভৌতিক ক্লেশ-জগতের কোন বস্তু থেকে প্রাপ্ত ক্লেশ। গ) আধিদৈবিক ক্লেশ-দেবতা থেকে প্রাপ্ত ক্লেশ। যেমন: গরম, ঠান্ডা
ইত্যাদি।
প্রশ্ন ১৮ :- মায়ার বন্ধন থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি?
উত্তর: ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শরণাগত হওয়া।
প্রশ্ন ১৯ :- মুক্তি লাভের পর আমরা কোথায় যাব?
উত্তর: গোলক বৃন্দাবনে।
প্রশ্ন ১০:- ভগবানতো প্রেমময় তবে তিনি
দেন?
উত্তর: কারণ আমরা ভগবানে কথা অনু । যত কাজ করি। ফলে আমাদের যার যার কর্মফল ভোগ করতে হয়। প্রশ্ন ২১:- কর্মফল কত প্রকার ও কি কি?
উত্তর: কর্মফল তিন প্রকার। যথা-
ক)
উত্তর শারিরিক কর্মফল ) মানসিক) বাকি কর্মফল। প্রশ্ন ২২:- কর্ম বন্ধন থেকে মুক্তির উপায় কি?
জন্য কর্ম করতে হবে।
প্রশ্ন ২৩:- কত জন্মের পর আমরা মানব জন্ম পেয়েছি উত্তর: চুরাশি লক্ষ জীব যৌনি ভ্রমন করে আমরা মানব জন্ম পেয়েছি। প্রশ্ন ২৪:-চুরাশি লক্ষ জীব যৌনির মধ্যে কোন যৌনি কত প্রকার? উত্তর: ৯ পক্ষ জলচর, ১০ লক্ষ পাখি, ১১ লক্ষ ক্রীমিকীট, ২০ লক্ষ উদ্ভিদ, ৩০ লক্ষ পশু ও ৪ লক্ষ মানুষ।
প্রশ্ন ২৫:- চুরাশি লক্ষ প্রকার জীবের মধ্যে কোন চারটি বিষয় মিল রয়েছে?
উত্তরঃ ক) আহার খ) নিদ্রা গ) ভয় ঘ) মৈথুন বা বংশ বৃদ্ধি । প্রশ্ন ৩- গানৰ জনা শ্ৰেষ্ঠ জন্ম কেন?
উত্তর : কারণ মানব জন্যেই জগৎকে, নিজেকে এবং ভগবানকে জেনে ভগবানের আরাধনা করে প্রকৃত আলয় ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন ২৭:-মৃত্যু কাকে বলে?
উত্তর: আত্মার দেহ ত্যাগকে মৃত্যু বলে।
প্রশ্ন ২৮:- জড় দেবের পরিবর্তন কয়টি ও কি কি? উত্তর: জড় দেহের পরিবর্তন ছয়টি। যথা-
ক) জন বৃদ্ধি গ) হিত্তি গ) বংশবৃদ্ধি ঘ) চ) মৃত্যু প্রশ্ন ২৯:- কয়টি তত্ত্ব নিয়ে আমাদের দেহ গঠিত? উত্তর: ২৪টি তত্ত্ব।
প্রঃ। ৩০:- পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয় কি কি? উত্তর: চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা ও ত্বক। প্রশ্ন ৩১:- পঞ্চ কর্মেন্দ্রিয় কি কি? উত্তর: বাক্, পানি, পাদ, পায়ু, ও উপস্থ। প্রশ্ন ৩২ :- আমাদের দেহ কি দিয়ে গঠিত? উত্তর: পঞ্চমহাভূত। প্রশ্ন ৩৩ :- পঞ্চমহাভূত কি কি? উত্তর: মাটি, পানি, বায়ু, অগ্নিও আকাশ। প্রশ্ন ৩৪:- যুগ কয়টি ও কি কি?
উত্তর : যুগ চারটি। যথা-সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি।
1
প্রশ্ন ৩৫:- সত্যযুগের বয়স কত? উত্তর: ১৭,২৮,০০০ বছর। প্রশ্ন ৩৬:- ত্রেতা যুগের বয়স কত? উত্তর: ১২,৯৬,০০০ বছর। প্রশ্ন ৩৭:- দ্বাপর যুগের বয়স কত?
: ৮,৬৪,০০০ বছর। প্রশ্ন ৩৮:- কলিযুগের বয়স কত? ৪,৩২,০০০ বছর।
প্রশ্ন ৩ :- কলিযুগের বর্তমান বয়স কত? উত্তরঃ ৫১১৬ বছর।
প্রশ্ন ৪০:- সত্যযুগের মানুষের নির্দিষ্ট বয়স কত ছিল? উত্তর: ১,০০,০০০ বছর।
প্রশ্ন ৪১:- ত্রেতাযুগে মানুষের নির্দিষ্ট বয়স কত ছিল? উত্তর: ১০,০০০ বছর।
প্রশ্ন ৪২:- দ্বাপর যুগে মানুষের নির্দিষ্ট বয়স কত?
উত্তর: ১,০০০ বছর।
প্রশ্ন ৪৩:- কলিযুগের মানুষের নির্দিষ্ট বয়স কত?
উত্তর: ১,০০ বছর।
প্রশ্ন ৪৪:- চারযুগ কতবার আবর্তিত হলে ব্রহ্মার একদিন হয়?
উত্তর: একহাজার বার।
প্রশ্ন ৪৫:- ব্রহ্মার আয়স্কাল কত?
উত্তর: ১০০ বছর।
প্রশ্ন ৪৬:- কখন মহাপ্রলয় হয়?
উত্তরঃ ব্রহ্মার আয়ূ একশ বছর পূর্ণ হলে।
প্রশ্ন ৪৭:- মহাপ্রলয়ের সময় সৃষ্টি কেথায় অবস্থান করে ?
উত্তর: মহাবিষ্ণুর ভেতরে।
প্রশ্ন ৪৮:- কোন যুগে ভগবানকে পাওয়ার উপায় কি? উত্তর: সত্যযুগে ধ্যান, ত্রেতাযুগে যজ্ঞ, দ্বাপরযুগে পূজা, হরিনাম সংকীতন।
কণিযুগে
প্রশ্ন ৪৯:- কোন যুগে ধর্ম কত ভাগ ছিল? উত্তর: সত্যযুগে চার ভাগের চার ভাগ ধর্ম, ত্রেতাযুগে চার ভাগের তিন ভাগ ধর্ম ও এক ভাগ অধর্ম, দ্বাপরযুগে চার ভাগের দুই ভাগ ধর্ম ও দুই ভাগ অধর্ম, কলিযুগে চার ভাগে এক ভাগ ধর্ম ও তিন ভাগ অধর্ম।
প্রশ্ন ৫০:- ভক্ত ভগবানের সঙ্গে কয়টি সম্পর্কের দ্বারা যুক্ত হতে পারেন? এবং সেগুলো কি কি?
উত্তর: ৫টি। যথা:
ক) শান্ত-নিষ্ক্রিয়ভাবে খ) দাস্য- সক্রিয়ভাবে গ) সখ্য-বন্ধুভাবে ঘ) বাৎসল্য অবিভাবকরূপে ঙ) মাধুর্য-দাম্পত্য প্রেমিক রুপে।
প্রশ্ন ৫১:- অধ্যাত্মবাদীদের কয়টি শেণীতে ভাগ করা যায় এবং কি কি? উত্তর: তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যথা: ক) জ্ঞানী খ) যোগী গ)
ভক্ত।
প্রশ্ন ৫২:- ভগবদ্গীতায় কোন পাঁচটি বিষয় প্রধানত আলোচিত হয়েছে? উত্তর: ক) ভগবানের স্বরুপ খ) জীবের স্বরুপ গ) জড়া প্রকৃতি স্বরুপ ঘ) কাল ও ঙ) কর্মের।
প্রশ্ন ৫৩:- ভগবানের স্বরুপ কি?
উত্তর: দ্বিভুজ শ্যামসুন্দর শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন ভগবানের স্বরুপ।
প্রশ্ন ৫৪:- জীবের স্বরুপ কি?
উত্তর: জীবের স্বরুপত্নীর নিজ পান।
প্রশ্ন ৫৫:- গুণভেদে ভক্তি কত প্রকার? এবং কি কি?
উত্তর: গুনভেদের ভক্তি চার প্রকার। যথা:-
ক)
। তামসিক ভক্তি খ) রাজসিক ভক্তি গ) সাত্ত্বিক ভক্তি ঘ) শুদ্ধ ভক্তি। প্রশ্ন ৫৬:- ভক্তিযোগ সাধণের প্রণালী কয়টি ও কি কি?
উত্তর: ভক্তিযোগ সাধণের প্রণালী ৯ টি। যথা:-
ক) শ্রবণ খ) কীর্তন গ) স্মরণ ঘ) পাদসেবন ঙ) অৰ্চন চ) বন্দন ছ) দাস্য জ) সখ্য ও ঝ) আত্মনিবেদন।
প্রশ্ন ৫৭:- সাধারণ মানুষের চারটি ত্রুটি কি কি? উত্তর: সাধারণ মানুষের চারটি ত্রুটি হচ্ছে- ক) ভ্রম-সাধারণ মানুষ ভুল করে
খ) প্রমাদ-সে মায়ার দ্বারা আচ্ছন্ন
গ) বিপ্রলিপ্সা-সে অন্যকে প্রতারণা করতে চেষ্টা করে এবং ঘ) করণাপাটব-সে তার ত্রুটিপূর্ণ ইন্দ্রিয়ের দ্বারা সীমিত। প্রশ্ন ৫৮:- ভগবানের কয়প্রকার অবতার আছে? উত্তর: ভগবানের ছয় প্রকার অবতার আছে। যথা:-
ক) পুরুষাবতার খ) লীলাবতার গ) গুণাবতার ম) ম যুগাবতার চ) শক্ত্যাবেশ অবতার।
প্রশ্ন ৫৯:- গুণও কর্ম অনুসারে ভগবান কয়টি বর্ণ সৃষ্টি করেছেন? উত্তর: গুণও কর্ম অনুসারে ভগবান চারটি বর্ণ সৃষ্টি করেছেন। ক) ব্রাহ্মণ খ) ক্ষত্রিয় গ) বৈশ্য ঘ) শূদ্র।
প্রশ্ন ৬০:- ব্রাহ্মণের গুণ ও কর্ম কি?
উত্তর: ব্রাহ্মণের স্তন হচ্ছে সত্ত্বগুণ এবং কর্ম হচ্ছে ব্রহ্মজ্ঞান অর্জন করে ভগবানের সেবা করা এবং অপর তিন বর্ণকে ব্রহ্মজ্ঞান শিক্ষা নিয়ে ভাগবানে দিকে নিয়ে যাওয়া।
প্রশ্ন ৬১:- ক্ষত্রিয়ের গুণ ও কর্ম কি?
উত্তর: ক্ষত্রিয়ের প্রধান গুণ হচ্ছে রজোগুণ এবং কর্ম হচ্ছে রাজ্যের শাসনকার্য পরিচালনা করা।
প্রশ্ন ৬২:- বৈশ্যের গুণ ও কর্ম কি?
উত্তর: বৈশ্যের প্রধান গুণ হল রজোগুণ ও তমোগুণ এবং কর্ম হচ্ছে গৌরক্ষা, কৃষিকাজ এবং ব্যবসা বাণিজ্য করা।
প্রশ্ন ৬৩:- শূত্রের প্রধান গুণ ও কর্ম কি?
উত্তর: শূদ্রের প্রধান গুণ হচ্ছে তমোগুণ এবং কর্ম হচ্ছে অপর তিন বর্ণের সেবা করা।
প্রশ্ন ৬৪:- বর্ণাশ্রম কয়টি ও কি কি?
উত্তর: বর্ণাশ্রম চারটি। যথা:-
ক) ব্রহ্মচর্য্য খ) গৃহস্থ গ) বানপ্রস্থ ঘ) সন্ন্যাস।
প্রশ্ন ৬৫ - ব্রহ্মচর্যাশ্রমের কাজ কি।
উত্তর: ব্রহ্মচর্যাশ্রমের প্রধান কাজ হচ্ছে জ্ঞানার্জন করা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে মেয়েদের সতীর্থ রক্ষা করতে হবে এবং ছেলেদের পুরুষত্ব রক্ষা করতে হবে।
প্রশ্ন ৬৬ - জ্ঞান কত প্রকার ও কি কি?
উত্তর: জ্ঞান দুই প্রকার। যথা:-
খ) জড়জাগতিক জ্ঞান (অনিত্য) ও খ) পারমার্থিক জ্ঞান (নিত্য)। প্রশ্ন ৬৭:- সতীত্ব রক্ষা ও পুরুষত্ব রক্ষা বলতে কী বুঝায়? উত্তর: সতীত্ব রক্ষা হলো-বিবাহের আগে কিংবা পরে স্বামী হড়া অন্য কোন পুরুষের সাথে দৈহিক কোন সম্পর্ক গঠন না করা। এবং পুরুষর রক্ষা হলো-বিবাহের আগে কিংবা পরে স্ত্রীছাড়া অন্য কোন নারীর সাথে দৈহিক কোন সম্পর্ক গঠন না করা।
প্রশ্ন ৬৮:- কত প্রকার মানুষ ভগবানের শরণাগত হয় না এবং তারা কান্না।
উত্তর: চার প্রকার মানুষ ভগবানের শরনাগত হয় না। যথা:-
ক) মূঢ় খ) নরাধম গ) মান্নাপহৃত আনা ও ঘ) আসুরিক ভাবাপন্ন। প্রশ্ন ৬৯:- কত প্রকার মানুষ ভগবানের শরণাগত হয়? উত্তর: চারপ্রকার। যথা:-
ক) আর্দ্র-দুঃখ থেকে মুক্তির জন্য খ) অর্থার্থী- টাকা-পয়সা, ধন-স চাওয়ার জন্য
গ) জিজ্ঞাসু-তত্ত্বজ্ঞান জানার জন্য ঘ) জ্ঞানী-পরম কর্তব্যবোধে। প্রশ্ন ৭০:- ভগবানকে পাওয়ার প্রথম উপায় কি?
উত্তর: মনকে ভগবানের শ্রীচরণে অর্পন করা।
প্রশ্ন ৭১:- মনকে ভগবানের শ্রীচরণে দিতে না পারলে কি করতে হ উত্তর: বার বার অভ্যাস করতে হবে।
প্রশ্ন ৭২:- অভ্যাস করতে না পারলে কি করতে হবে।
উত্তর: ভগবানের সন্তুষ্টির জন্য কর্ম করতে হবে।
প্রশ্ন ৭৩:- ভগবানের সন্তুষ্টির জন্য কর্ম করতে না পারিলে কি করে হবে?
উত্তর: জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
প্রশ্ন ৭৪:- জ্ঞান থেকে কি শ্রেষ্ঠ, ধ্যান থেকে কি শ্রেষ্ঠ? উত্তর: জ্ঞান থেকে ধ্যান শ্রেষ্ঠ, ধ্যান থেকে কর্মফল ত্যাগ শ্রেষ্ঠ।
প্রশ্ন ৭৫:- কর্মফল ত্যাগ বলতে কী বুঝানো হয়েছে? উত্তর: কর্ম করে কর্মের ফল ভগবানের শ্রীচরণে অর্পন করা।
প্রশ্ন ৭৬:- যারা কর্মফল সম্পূর্ণরুপে ভগবানকে অর্পণ করতে অক্ষম তাদের কর্তব্য কি?
উত্তর: আংশিক হলেও ভগবানকে অর্পন করা।
প্রশ্ন ৭৭:- শাস্ত্রমতে উপার্জিত অর্থকে কিভাবে ব্যয় করতে বলা হয়েছে? উত্তর: শাস্ত্রমতে উপার্জিত অর্থকে পাঁচভাগে ভাগ করে ব্যয় করতে বলা হয়েছে।
ক) একভাগ-ভগবানের সেবার জন্য খ) একভাগ-ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় গ) একভাগ-আত্মীয় স্বজনের জন্য
ঘ) একভাগ-গরীব-দুঃখীদের জন্য এবং ঙ) একভাগ নিজের জন্য। প্রশ্ন ৭৮:- সুখ শান্তি আনন্দ কোনটি কার জন্য?
উত্তর: সুখ-দেহের জন্য, শাস্তি-মনের জন্য, আনন্দ-আত্মার জন্য। প্রশ্ন ৭৯:- আমারা কেউ মরতে চাইনা কেন?
উত্তর: কারণ আমাদের প্রকৃত স্বরুপ আত্মা হচ্ছে নিত্য, যার মৃত্যু নেই। প্রশ্ন ৮০:- আমরা জানতে চাই কেন?
উত্তর: কারণ আমাদের প্রকৃত স্বরুপ আত্মা হচ্ছে জ্ঞানময়। আর জ্ঞান শব্দের অর্থ হচ্ছে জানা। তাই আমরা জানতে চাই।
প্রশ্ন ৮১:- আমরা আনন্দে থাকতে চাই কেন?
উত্তর: কারণ আমাদের প্রকৃত স্বরুপ আত্মা হচ্ছে দিব্য আনন্দময়। তাই আমরা আনন্দে থাকতে চাই।
প্রশ্ন ৮২:- আনন্দের উৎস কি? উত্তর: ভালবাসা।
প্রশ্ন ৮৩:- কাকে ভালবাসতে হবে?
উত্তরঃ প্রেমময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে।
প্রশ্ন ৮৪:- প্রত্যেকের হৃদয়ে সুপ্তভাবে কি বিরাজমান থাকে? উত্তর: ভগবদ প্রেম ।
প্রশ্ন ৮৫:- প্রেম কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রেমময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ইন্দ্রিয়কে সন্তুষ্ট করার ইচ্ছাই প্রেম।
প্রশ্ন ৮৬:- কাম কাকে বলে?
উত্তর: নিজের ইন্দ্রিয় তৃপ্তির ইচ্ছাই হচ্ছে কাম।
প্রশ্ন ৮৭ :- কিসের প্রভাবে জীবরে হৃদয়ের সুপ্ত ভগবদ প্রেম কামে পরিণত হয়?
উত্তর: রজোগুনের প্রভাবে।
প্রশ্ন ৮৮:- বদ্ধ জীবের সবচেয় প্রিয় বস্তু কি?
উত্তর: তার দেহ।
প্রশ্ন ৮৯:- গৃহস্থ জীবনের পরম কর্তব্য কি?
উত্তর: কৃষ্ণভক্ত সন্তান উৎপাদন করা।
প্রশ্ন ৯০:- ভক্তি কাকে বলে?
উত্তর: ভগবানের প্রতি গভীর অনুরাগই ভক্তি।
প্রশ্নোত্তরে গীতার শিক্ষা কুইজ:-
প্রথম অধ্যায়-বিষাদ যোগ
প্রশ্ন ৯১:- অন্ধরাজা ধৃতরাষ্ট কুরুক্ষেত্র নামক স্থানকে কি বলে সম্বোধন করেছেন?
উত্তর: ধর্মক্ষেত্র বলে সম্বোধন করেছেন।
প্রশ্ন ৯২ - গীতায় ধৃতরাষ্ট্রের প্রথম প্রশ্ন কি ছিল?
উত্তর: ধর্ম ক্ষেত্রে যুদ্ধ করার মানসে আমার পুত্র ও পান্ডুর পুত্ররা তারপর কি করল?
প্রশ্ন ৯৩:- দুর্যোধনের প্রথম সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: দ্রোনাচার্য।
প্রশ্ন ৯৪:- কুরুক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মহারথীদের কে পরিচয় করিয়ে দিলেন?
উত্তর: দুর্যোধন।
প্রশ্ন ৯৫:- আমাদের সৈন্য সংখ্যা অপরিমিত এবং আমরা পিতামহ ভীষ্মের দ্বারা পূর্ণরূপে সুরক্ষিত? বক্তব্যটি কার? উত্তর: দুর্যোধনের।
প্রশ্ন ৯৬:- ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: পাঞ্চজন্য।
প্রশ্ন ৯৭:- মহারাজ যুধিষ্ঠিরের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: অনন্তবিজয়।
প্রশ্ন ৯৮:- নকুলের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: সুঘোষ ।
প্রশ্ন ৯৯:- সহদেবের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: মনিপুষ্পক ।
প্রশ্ন ১০০:- অর্জুনের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: দেবদত্ত।
প্রশ্ন ১০১:- ভীমের শঙ্খের নাম কি ? উত্তর: পৌণ্ড্র।
প্রশ্ন ১০২:- অর্জুনের রথের পতাকায় কি চিহ্ন ছিল? উত্তর: হনুমান।
প্রশ্ন ১০৩:- কুস্তিপুত্র অর্জুন কুরুক্ষেত্রে কি দেখে বিষণ্ণ হয়ে পড়লেন? উত্তর: আত্মীয় স্বজনদের দেখে।
প্রশ্ন নং:-১০৪: মাধব নামের অর্থ কি?
উত্তর: লক্ষ্মীপতি শ্রীকৃষ্ণ।
প্রশ্ন ১০৫:- কখন বংশে অধর্ম আবির্ভূত হয়?
উত্তরঃ যখন কুলক্ষয় বা সনাতন কুল ধর্ম বিনষ্ট হয় ।
প্রশ্ন ১০৬:- বংশে অধর্ম প্রবেশ করলে কি হয়? উত্তর: কুলবধুগণ ব্যভিচারে প্রবৃত্ত হয় । প্রশ্ন ১০৭:- কুলবধূগণ ব্যভিচারে করলে কি হয়? উত্তর: অবাঞ্চিত সন্তান উৎপন্ন হয় । প্রশ্ন ১০৮:- পিন্ডদান না করলে কি হয়? উত্তর: পিতৃপুরুষেরা নরকগামী হয়।
প্রশ্ন ১০৯:- গীতার প্রথম অধ্যায়ের নাম কি? উত্তর: বিষাদ যোগ।
প্রশ্ন ১১০ :- গীতার প্রথম অধ্যায়ে কতগুলো শ্লোক আছে? উত্তর: ৪৬ টি শ্লোক।
পিডিএফ আকারে অফলাইনে পড়ার জন্য ডাউনলোড করে নিন🙏
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇

0 মন্তব্যসমূহ