অনলাইন গীতা ক্লাস – পর্ব ৯
📖 আলোচ্য বিষয়সমূহ
🌼 শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার মঙ্গলাচরণ 🌼
ওঁ অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন-শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরवे নমঃ।।
অর্থ: অজ্ঞতার গভীর অন্ধকারে আমি আবৃত ছিলাম। গুরুদেব জ্ঞানের অঞ্জন দিয়ে সেই অন্ধকার দূর করে আমার দৃষ্টিকে উন্মীলিত করেছেন।
🙏 নিজ নিজ গুরুদেবের প্রণাম-মন্ত্র পাঠ করুন 🙏
ওঁ অখণ্ড-মণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরং।
তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ।।
অর্থ: যিনি সমগ্র জগতে ব্যাপ্ত, যিনি ব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করেন এবং যিনি সেই পরম সত্যের দর্শন করান—তাঁকে প্রণাম।
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎ কৃপা তমহং বন্দে পরমানন্দ মাধবম্।।
অর্থ: যাঁর কৃপায় বোবা বাকপটু হয়, পঙ্গুও পর্বত অতিক্রম করতে পারে—সেই পরমানন্দ মাধবকে বন্দনা করি।
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধো দীনবন্ধো জগৎপতে।
গোপেশ গোপিকাকান্ত রাধাকান্ত নমোস্তুতে।।
অর্থ: হে করুণাসিন্ধু কৃষ্ণ! তুমি দীনবন্ধু, জগতের অধিপতি, গোপবৃন্দের প্রভু ও গোপীদের প্রিয়তম। হে রাধাকান্ত, তোমায় প্রণাম।
তপ্ত-কাঞ্চন-গৌরাঙ্গি রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানু-সুতে দেবি প্রণমামি হরিপ্রিয়ে।।
অর্থ: হে রাধারাণী! তপ্ত স্বর্ণসম তোমার কান্তি, তুমি বৃন্দাবনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী, রাজা বৃষভানুর কন্যা ও ভগবান হরির প্রিয়তমা। তোমায় প্রণতি।
বাঞ্ছা-कल्प-তরুভ্যশ্চ কৃপা-সিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেব্যো বৈষ্ণবেব্যো নমো নমঃ।।
অর্থ: যাঁরা মনোবাঞ্ছা পূরণকারী, করুণার সাগর এবং পতিত জীবের উদ্ধারকর্তা—সেই সকল বৈষ্ণব ভক্তদের প্রতি বারবার প্রণাম।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ।
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌরভক্তবৃন্দ।।
অর্থ: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, নিত্যানন্দ প্রভু, অদ্বৈত আচার্য, গদাধর, শ্রীবাস এবং সমগ্র গৌরভক্তবৃন্দকে প্রণাম।
✨ মহামন্ত্র ✨
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম
রাম রাম হরে হরে
কুলক্ষয়কৃতং দোষং মিত্রদ্রোহে চ পাতকম্।।৩৭।।
কথং ন জ্ঞেয়মস্মাভিঃ পাপাদস্মান্নিবর্তিতুম্।
কুলক্ষয়কৃতং দোষং প্রপশ্যদ্ভির্জনার্দন।।৩৮।।
ধর্মে নষ্টে কুলং কৃৎস্নমধর্মোহভিভবত্যুত।।৩৯।।
অনুবাদঃ কুলক্ষয় হলেও সনাতন কুলধর্ম বিনষ্ট হয় এবং তা হলে সমগ্র বংশ অধর্মে অভিভুত হয়।
স্ত্রীষু দুষ্টাসু বার্ষ্ণেয় জায়তে বর্ণসঙ্করঃ।।৪০।।
পতন্তি পিতরো হ্যেষাং লুপ্তপিন্ডোদকক্রিয়াঃ।।৪১।।
উৎসাদ্যন্তে জাতিধর্মাঃ কুলধর্মাশ্চ শাশ্বতাঃ।।৪২।।
নরকে নিয়তং বাসো ভবতীত্যনুশুশ্রুম।।৪৩।।
অনুবাদঃ হে জনার্দন!আমি পরম্পরাক্রমে শুনেছি যে, যাদের কুলধর্ম বিনষ্ট হয়েছে, তাদের নিয়ত নরকে বাস করতে হয়।
যদ্ রাজ্যসুখলোভেন হস্তুং স্বজনমুদ্যতাঃ।।৪৪।।
ধার্তরাষ্ট্রা রণে হন্যুস্তন্মে ক্ষেমতরং ভবেৎ।।৪৫।।
বিসৃজ্য সশরং চাপং শোকসংবিগ্নমানসঃ।।৪৬।।
প্রথম অধ্যায়-বিষাদ যোগ
প্রশ্ন ৯১:- অন্ধরাজা ধৃতরাষ্ট কুরুক্ষেত্র নামক স্থানকে কি বলে সম্বোধন
করেছেন?
উত্তর: ধর্মক্ষেত্র বলে সম্বোধন করেছেন।
প্রশ্ন ৯২:- গীতায় ধৃতরাষ্ট্রের প্রথম প্রশ্ন কি ছিল?
উত্তর: ধর্ম ক্ষেত্রে যুদ্ধ করার মানসে আমার পুত্র ও পান্ডুর পুত্ররা তারপর কি করল?
প্রশ্ন ১০০- দুর্যোধনের প্রথম সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর:- দ্রোনাচার্য।
প্রশ্ন ৯৪- কুরুক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মহারথীদের কে পরিচয় করিয়ে নিলেন
উত্তর: দুর্যোধন।
প্রশ্ন ৯৫:- আমাদের সৈন্য সংখ্যা অপরিমিত এবং আমরা পিতামহ ভীষ্মের দ্বারা পূর্ণরুপে সুরক্ষিত? বক্তব্যটি কার?
উত্তর: দূর্যোধনের ।
- ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শঙ্খের নাম কি?
প্রশ্ন ৯৬:- উত্তর: পাঞ্চজন্য ।
প্রশ্ন ৯৭:- মহারাজ যুধিষ্ঠিরের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: অনন্ত বিজয় ।
প্রশ্ন ৯৮:- নকুলের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: সুঘোষ ।
প্রশ্ন ১৯ :- সহদেবের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: মনিপুষ্পক ।
প্রশ্ন ১০০:- অর্জুনের শঙ্খের নাম কি? উত্তর: দেবদত্ত।
প্রশ্ন ১০১:- ভীমের শঙ্খের নাম কি ? উত্তর: পৌণ্ড্র।
প্রশ্ন ১০২:- অর্জুনের রথের পতাকায় কি চিহ্ন ছিল?
উত্তর: হনুমান ।
প্রশ্ন ১০৩:- কুত্তিপুত্র অর্জুন কুরুক্ষেত্রে কি দেখে বিষণ্ন হয়ে পড়লেন? উত্তর: আত্মীয় স্বজনদের দেখে।
প্রশ্ন নং:-১০৪: মাধব নামের অর্থ কি? লক্ষ্মীপতি শ্রীকৃষ্ণ।
প্রশ্ন ১০৫:- কখন বংশে অধর্ম আবির্ভূত হয়?
উত্তর: যখন কুলক্ষয় বা সনাতন কুল ধর্ম বিনষ্ট হয় ।
প্রশ্ন ১০৬:- বংশে অধর্ম প্রবেশ করলে কি হয়? উত্তর: কুলবধুগণ ব্যভিচারে প্রবৃত্ত হয় । প্রশ্ন ১০৭:- কুলবধুগণ ব্যভিচারে করলে কি হয়? উত্তর: অবাঞ্চিত সন্তান উৎপন্ন হয় । প্রশ্ন ১০৮:- পিন্ডদান না করলে কি হয়? উত্তর: পিতৃপুরুষেরা নরকগামী হয় ।
প্রশ্ন ১০৯:- গীতার প্রথম অধ্যায়ের নাম কি? উত্তর: বিষাদ যোগ।
প্রশ্ন ১১০ :- গীতার প্রথম অধ্যায়ে কতগুলো শ্লোক আছে? উত্তর: ৪৬ টি শ্লোক ।

0 মন্তব্যসমূহ